নাহিদ ইসলাম বলেন- শহীদ রুদ্র সেন, শহীদ এটিএম তুরাবসহ ১৭ জনের বেশি শহীদের রক্ত সিলেটের মাটিতে মিশে আছে। এই সিলেট হবে এনসিপির নতুন দুর্গ। নতুন বাংলাদেশের অন্যতম স্থান।
সিলেট কেবল একটি প্রশাসনিক জেলা নয়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ উৎস। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান সিলেট সব সময় বুক চিতিয়ে লড়েছে বাংলাদেশের পক্ষে।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিকেলে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’র অংশ হিসেবে সিলেটের শহীদ মিনারে এনসিপির আয়োজিত পদযাত্রা শেষে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রবাসে সিলেটিদের অবদান তুলে ধরে নাহিদ আরো বলেন, লন্ডনে যাঁরা বাংলাদেশকে তুলে ধরছেন, তাদের ঘামে আজ দেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে। আমরা সেই প্রবাসীদের ভোটাধিকার এবং নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চাই।
বিচার সংস্কার এবং নতুন সংবিধান প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে নাহিদ বলেন, আগামী ৩ জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ হবে। জুলাইয়ের চেতনাধারী সবাইকে সেখানে থাকতে হবে।
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারি, যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. জায়েদুর রহমান, অর্পিতা শ্যামা দেব, যুগ্ম আহ্বায়ক এহতেশাম হক ও আবু বাকের মজুমদার প্রমুখ।
অনুষ্ঠান বিকাল ৫টা থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ৩টা থেকে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে আসতে শুরু করেন লোকজন। একপর্যায়ে কানায় কানায় ভর্তি হয়ে উঠে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ। আশপাশ রাস্তাজুড়ে লোকজন দাঁড়িয়ে এনসিপি নেতৃবৃন্দের বক্তৃতা শুনেন। সমাবেস্থল এলাকা তরুণ-তরুণীসহ আপামর জনসাধারণের ঢল নামে। এসময় চৌহট্টা পয়েন্ট সড়কে সাময়িক যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকে।


No comments:
Post a Comment