স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসে "Smart Language Learning with AI" শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু - সময় আমাদের (somoy amader)

শিরোনাম


Monday, 6 July 2026

স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসে "Smart Language Learning with AI" শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু


নিজস্ব সংবাদদাতা : আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো কার্যকর, যুগোপযোগী ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে সোমবার (৬ জুলাই) সকালে স্কলার্সহোম টিলাগড় ক্যাম্পাসে তিনদিন ব্যাপী “ Smart Language Learning with AI (Practical Application) শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর ব্যবহারিক প্রয়োগের মাধ্যমে ভাষা শিক্ষাকে আরো সহজ, আকর্ষণীয় ও দক্ষতাভিত্তিক করে তোলা।


আয়োজিত কর্মশালার সার্বিক পরিকল্পনা, দিকনির্দেশনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন বিদ্যালয় অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ  উদ্দিন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, আধুনিক শিক্ষাচিন্তা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি পুরো আয়োজনকে একটি সুসংগঠিত ও মানসম্মত রূপ প্রদান করে। তিনি সর্বদা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনী শিক্ষায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার জন্য শিক্ষকবৃন্দ ও অভিভাবকদের উৎসাহিত করেন।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্কলার্সহোম একাডেমিক কো-অর্ডিনেটরপ্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌধুরী। 


প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন- এই একবিংশ শতাব্দীর শিল্পবিপ্লবের সময় ভবিষ্যৎমুখী আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের জন্য সকল শিক্ষার্থীদের টিকে থাকতে হলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর যথাযথ জ্ঞান ও প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই।


কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের ক-োঅর্ডিনেটর সুমিত্রা মজুমদার আর অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মোমিতা সিনহা।


কর্মশালাটি পরিচালনা করেন, অ্যালামনাই ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট এর প্রশিক্ষক সৈয়দা জামিলা বকুল যূথি।


এই কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন ডিজিটাল টুল ও অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের মাধ্যমে ভাষা শিক্ষার বাস্তব ও ব্যবহারিক দিকসমূহ হাতে-কলমে শেখানো হয়। বিশেষ করে শব্দার্থ বিশ্লেষণ, সঠিক উচ্চারণ অনুশীলন, বাক্য গঠন প্রক্রিয়া এবং অনুবাদ দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে অও প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতার দ্বার উন্মোচন করে। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিক ফিডব্যাক পেয়ে নিজেদের ভুল সংশোধনের সুযোগ লাভ করে, যা তাদের শেখার প্রক্রিয়াকে আরো গতিশীল ও ফলপ্রসূ করে তোলে।


শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, গভীর আগ্রহ ও উদ্দীপনা পুরো কর্মশালাকে প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে রূপ দেয়। তারা নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করে এবং শেখার প্রতি তাদের সক্রিয় মনোভাব সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইনির্ভর জ্ঞান নয়, বরং বাস্তবমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।







No comments:

Post a Comment

Pages