পাঞ্জাবের স্বাস্থ্যমন্ত্রী খাজা ইমরান নাজির জানান, দুর্ঘটনার পর মোট ১৯ শিশুকে উদ্ধার করে কাহনা হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে ১৪ জনকে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং বাকি পাঁচজন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
উদ্ধারকর্মীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় কোচিং সেন্টারের ভেতরে ৩০ জনের বেশি শিশু উপস্থিত ছিল।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ভবনের ওপরের তলায় নির্মাণকাজ চলছিল, আর নিচতলায় তখন শিশুদের ক্লাস চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, নির্মাণকাজের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় ছাদ ধসে পড়ে।
এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। ভবনের মালিকসহ দুজনকে হেফাজতে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

No comments:
Post a Comment