ফেসবুক লাইভে বাপের বিরুদ্ধে মেয়ের অভিযোগ, প্রকৃত রহস্য উদঘাটন - সময় আমাদের (somoy amader)

শিরোনাম


Sunday, 2 August 2020

ফেসবুক লাইভে বাপের বিরুদ্ধে মেয়ের অভিযোগ, প্রকৃত রহস্য উদঘাটন

ফেসবুক লাইভে বাপের বিরুদ্ধে মেয়ের অভিযোগ, প্রকৃত রহস্য উদঘাটন
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : নেট দুনিয়ার জনপ্রিয় প্লাটফর্ম ফেসবুক। ফেসবুক লাইভে এসে দরদি কণ্ঠে এক কিশোরী বলেন, প্লিজ আমাদেরকে বাঁচান, কেউ বাঁচান প্লিজ, খুব মারতেছে আম্মুকে। কিশোরীর আকুতিতে সাড়া দিয়ে দ্রুত গতিতে লাইভ ভিডিওটি ভাইরাল করেন নেটিজেনরা। এতে ভিডিওটি পুলিশের নজরে চলে আসে। তবে ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে  হতবাক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ। কারণ ভিডিওতে বলা ঘটনা আদৌ ঘটেনি।
 

মঙ্গলবার ভিডিওটি নজরে আসার ঘটনাস্থল ধানমন্ডির মধুবাজারের স্বপ্ননীড় আবাসিক ভবনের অষ্টম তলায় যায় পুলিশ। ওই সময় পুলিশের সঙ্গে ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠান মো. সাঈদুজ্জামান।

জানা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠান মো. সাঈদুজ্জামানের নেতৃত্বে ওই বাসায় পুলিশ পৌঁছায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিজের পরিচয় দিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা খোলার আহবান জানান। কিন্তু প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর ফ্ল্যাটের দরজা ভাঙতে বাধ্য হয় পুলিশ। ফ্ল্যাটে প্রবেশের পর স্বামী হাক্কানিকে পাওয়া যায়। 

এদিকে ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে দুই মেয়েকে নিয়ে লুকিয়ে যান কিশোরীর মা। তখন কক্ষের দরজা ভেঙে শাহেদা বর্ষা নামের নারীকে পায় পুলিশ।

ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর চড়াও হন শাহেদা। ম্যাজিস্ট্রেকে পরিচয় দেখাতে বলেন। পরিচয় দেখাতেই অদ্ভুত আচরণ করেন শাহেদা। নিজেকে শিক্ষানবিশ আইনজীবী সম্পন্ন করা ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপনও করেন তিনি। 

একপর্যায়ে স্বামীর কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে মামলা করবেন কি না জানতে চান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। উত্তরে স্বামীর সম্পর্কে কিছুই বলেননি। এমনকি স্বামী হাক্কানির বিরুদ্ধে মামলাও করতে নারাজ শাহেদা।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠান মো. সাঈদুজ্জামান বলেন, বাবার হাতে মায়ের নির্যাতনের শিকার হওয়ার দাবি করেছে সন্তানেরা। অবশেষে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন ওই নারী। তবে অসুস্থতার কারণে মামলা এখনই করবেন না।

ডিএমপির এডিসি (ধানমন্ডি জোন) আব্দুল্লাহ হেল কাফি বলেন, স্বামী তার স্ত্রীকে অত্যাচার বা নির্যাতন করে। একইভাবে স্বামীর দাবি, স্ত্রী হাতে তিনি নির্যাতনের শিকার। তাদের উভয়কে শারীরিক ও মানসিভাকে খানিকটা অসুস্থ মনে হয়েছে।

এ দিকে শাহেদা বর্ষা নামের ওই নারী তিন দিনে পাঁচটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন। ওই সব ভিডিওতে স্বামীর বিরুদ্ধে বিষেদাগার করেছেন তিনি।



No comments:

Post a Comment

Pages