জাবেদ এমরান : নিজেদের মাঠে আবারো হারের স্বাদ গ্রহণ করতে হয়েছে সিলেট টাইটানসকে। বিপিএলে বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে সিলেট এবারের বিপিএলে রেকর্ড ১৯৯ রান করে চট্টগ্রাম রয়্যালসের কাছে ১৪ রানের হার দেখেছে সিলেটে।
জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে ৪২ রান লাগত সিলেটের। হাতে উইকেট ছিল ১টি। অর্থাৎ শেষ জুটি। শরীফুল ইসলামের করা ১৯তম ওভারের প্রথম দুই বলে টানা দুই ছক্কা হাঁকিয়ে খেলা জমানোর ইঙ্গিত দেন খালেদ। শেষ চারে বলে নেন ৫ রান। সব মিলিয়ে ওভারটিতে ১৭ রান নিয়ে সমীকরণ নামিয়ে আনেন ৬ বলে ২৫। শেষ ওভারের শুরুটাও দারুণ করেছিলেন খালেদ।
প্রথম বল ওয়াইড দেন তানভীর ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনারের প্রথম বৈধ বলে ছক্কা হাঁকান খালেদ। জাতীয় দলের সতীর্থর কাছে হজম করে ফিরতি বলেও ওয়াইড দেন তানভীর। দ্বিতীয় বৈধ বল ডট দিয়ে তৃতীয় বলে ২ রান দেন তিনি। আর চতুর্থ বলে উইকেটরক্ষক রসিংটনের সহায়তায় খালেদকে স্টাম্পিং করে চট্টগ্রামকে ১৪ রানের জয় এনে দেন। ২৭৭.৭৭ স্ট্রাইক রেটে ৩ ছক্কা ও ১ চারে ২৫ রান করেন খালেদ।
বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সিলেট নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও রানের চাকা সচল রেখেছিলেন ব্যাটাররা। তাদের ৭ ব্যাটার দুই অংকের ঘর স্পর্শ করলেও কেউই ইনিংস বড় করতে পারেনি। বড় রান তাড়ায় বড় ইনিংসের যে প্রয়োজন তা ম্যাচ শেষে ঠিকই বুঝল সিলেট। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেছেন আফিফ হোসেন। চট্টগ্রামের ব্যাটারদের ইনিংস লম্বা করতে না দেওয়ার কারিগর আমের জামাল সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন।
চট্টগ্রামের ইনিংসে কোনো ব্যাটার ফিফটি করতে পারেনি। তবে মাহমুদুল হাসান জয় ও অ্যাডাম রসিংটনের দুটো চল্লিশোর্ধ্ব ইনিংসে এবারের বিপিএলে সর্বোচ্চ ১৯৮ রানের ভিত পায়। রসিংটনের ৪৯ রানের বিপরীতে ২০৯.৫২ স্ট্রাইক রেটে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন জয়।

No comments:
Post a Comment