সময় ডেস্ক : সিলেটে রেলের টিকিট কালোবাজারি থাকবে না, জানিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলম। এ সময় তিনি রেলওয়ের জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদেরও ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, সরকারি বাসা বা স্থাপনা সাবলেট (তৃতীয় পক্ষকে ভাড়া) দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যারা এটি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিলেট শহরে কোনো অবৈধ স্থাপনা থাকবে না। পর্যায়ক্রমে রেলওয়েসহ সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
ডিসি আরো বলেন, রেলওয়ে স্টেশনে কোনো দালালচক্র বা টিকিট কালোবাজারিকে কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। যারা এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার সকালে মোগলাবাজার এলাকায় ট্রেনের ইঞ্জিনসহ চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে কয়েকজন যাত্রী আহত হন। ফায়ার সার্ভিস, স্থানীয় জনতা এবং রেলকর্মীদের সহযোগিতায় দ্রুত উদ্ধার ও মেরামত কাজ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে একটি লাইন সচল করা হয়। এর পর সিলেট থেকে ঢাকাগামী কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন মোগলাবাজার থেকে পুনরায় যাত্রা শুরু করে। আড়াই ঘন্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।
দুর্ঘটনার পর রেলের দুই কর্মকর্তাকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে উভয় কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় ডিসি সারওয়ার আলম বলেন, ট্রেন দুর্ঘটনার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। আমরা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। পাশাপাশি সিলেটের যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে ট্রেন সংখ্যা এবং বগি বাড়ানোর বিষয়ে রেলওয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment