সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে নগরীর প্রায় সবকটি পয়েন্টে একযোগে এই অভিযান শুরু হয়।
অভিযানের প্রথমদিনে ৮৭টি অবৈধ গাড়ি আটক করা হয়েছে এবং কাগজপত্র না থাকায় ১৭টি মামলা করা হয়েছে। সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
তিনি আরো জানান, প্রথমদিনের অভিযানে ১৭টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়। এরমধ্যে সিএনজি অটোরিকশার ২টি, মোটরসাইকেল ১১টি, প্রাইভেটকার ২টি, পিকআপ ১টি ও ট্রাক ১টি।
ঐইদিন সকাল থেকে নগরের মেন্দিবাগ, নাইওরপুল, জিতু মিয়ার পয়েন্ট, রিকাবীবাজার এবং পাঠানটুলা এলাকায় পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নিয়ে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেন। এসময় সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের কাগজপত্র চেক করা হয়।
অভিযানের কারণে সোমবার সড়কে যানবহান ছিলো অনেকটা কম। ফলে চিরচেনা যানজটও ছিলো না।
সকালে সিলেট মহানগর পুৃলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীও বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে অভিযান তদারকি করেন।
এসময় গণমাধ্যেমের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, অবৈধ যানবাহনগুলো নগর থেকে সরিয়ে নিতে আমরা সময় দিয়েছিলাম। কালকে নগরীতে মাইকিংও করিয়েছি। আজকে সকাল থেকে অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছি। সিলেট নগরে কোন অবৈধ যানবাহন চলতে দেওয়া হবে না।
পুলিশ কমিশনার আরো বলেন, নগরের অবৈধ সিএনজি স্ট্যান্ডগুলো সরানোর ব্যাপারেও আমরা চিন্তা করছি। সিএনজিগুলো পার্কিংয়ের জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।
তারও আগে এসএমপি কমিশনার জানান, নগরীর সম্মানিত নাগরিকদের ভোগান্তি কমানো এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। কোনোভাবেই নগরীতে অনুমোদনবিহীন, কাগজপত্র ছাড়া বা নিয়ম অমান্যকারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে না।
এর আগে গত সপ্তাহে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এসএমপি পুলিশ পাঁচ দফা নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় বলা হয়, নগরীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা, রেজিস্ট্রেশনবিহীন ও ভুয়া নাম্বার প্লেটযুক্ত যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। অনুমোদিত স্ট্যান্ড ছাড়া অন্য কোথাও অটোরিকশা পার্কিং করা যাবে না। এছাড়া মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীকে হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়।
এদিকে, হকারদের পুনর্বাসন মার্কেটের চলমান সংস্থার কাজ এখনো শেষ হয় নি। কাজ শেষ হলে হকারদের সেখানে স্থানান্তর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।


No comments:
Post a Comment