তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, আলোচনা-ভিত্তিক দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এই নিষ্পত্তি টেনে আনতে হবে।
রোববার (১১ মে) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কয়েকটি এলাকায় বিএনপির ওয়ার্ডভিত্তিক নেতা নির্বাচনের ভোট পর্যবেক্ষণকালে এসব কথা বলেন এ্যানি। তিনি বলেন, “আমরা চেয়েছি গুম, খুন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার। বিচার হলেই জনগণ আশ্বস্ত হবে। যাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও গুমের অভিযোগ আছে, তাদের রাজনীতিতে থাকার অধিকার নেই। তাই আইনানুগ প্রক্রিয়ায় বিচার করেই আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “হাসিনার দ্রুত বিচার হলে দেশের মানুষ প্রতীক্ষার অবসান দেখতে পাবে। বারবার শাহবাগে মিছিল-মিটিং করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি না করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান দরকার ছিল। জনগণও তাই চায়।”
আন্দোলন থেকে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রসঙ্গ টেনে এ্যানি বলেন, “আমাদের আন্দোলনের ফসল হলো এই সরকার। কিন্তু ৯ মাসেও যদি বিচার দৃশ্যমান না হয়, তাহলে জনগণের হতাশা বাড়ে।” তিনি বিচারপ্রক্রিয়ার ধীরগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অবিলম্বে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচার শুরু করার দাবি জানান।
বক্তব্যে তিনি দলীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, “একসাথে আন্দোলন করা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ তৈরি হলে জনগণ কষ্ট পাবে। আমরা সে কষ্ট দিতে চাই না।”
এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment