কানাইঘাটে মরা গরুর গোস্ত বিক্রির অপরাধে কসাইকে কারাগারে প্রেরণ - সময় আমাদের (somoy amader)

শিরোনাম


Friday, 13 October 2023

কানাইঘাটে মরা গরুর গোস্ত বিক্রির অপরাধে কসাইকে কারাগারে প্রেরণ

ছবি প্রতিকী

সময় ডেস্ক :
সিলেটের কানাইঘাটে প্রকাশ্যে বাজারে মরা ও পচা গরুর গোস্ত বিক্রির অপরাধে এক কসাইকে হাতেনাতে ধরে কারাগারে পাঠিয়েছে প্রশাসন।


বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমেদ কানাইঘাটের চতুল ঈদগাহ বাজারে গিয়ে মৃত গরুর মাংস বিক্রির অপরাধে স্থানীয় মুক্তাপুর গ্রামের ফকির আলীর পুত্র ফখরুল ইসলামকে আটক করেন। পরবর্তীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৫২ ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মামলা দায়েরের মাধ্যমে তাকে ২ মাসের কারাদন্ড ও নগদ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত ফখরুল ইসলাম চতুল ঈদগাহ বাজারের একজন মাংস ব্যবসায়ী। 


বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় ফখরুল ইসলাম তার আরও ২ সহযোগীকে নিয়ে বাজারে গরুর মাংস বিক্রি করতে থাকেন। অনেকে মাংস বাড়িতে নিয়ে গেলে পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরে। বিষয়টি তাৎক্ষণিক  বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নুরুল আম্বিয়াসহ নেতৃবৃন্দকে জানানো হয়। তারা সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাজারে গিয়ে দেখতে পান মাংস থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদকালে মাংস ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম স্বীকার করেন, স্থানীয় রায়পুর গ্রামের মৃত নুরুল হকের পুত্র নাজিম উদ্দিনসহ আব্দুল বাছিত ও আব্দুল হামিদকে ১৫’শ টাকা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে মৃত গরুর মাংস বিক্রি করতে বলেন।


বিষয়টি উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আহমেদ জানতে পেরে উপজেলা ফুড ইন্সপেক্টর আবুল কালাম আজাদ, কানাইঘাট থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তা জসিম উদ্দিনকে নিয়ে চতুল ঈদগাহ বাজারে যান। প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন মাংস পরীক্ষা করে মৃত গরুর পচা মাংস হিসেবে সনাক্ত করেন।


সে সময় মৃত গরুর পচা সকল মাংস জব্দ করেন। পরে বাজারের পাশে মাটির গর্তে আগুনে পুড়িয়ে ফেলেন এ্যাসিল্যান্ড ফয়সাল আহমেদ।


মৃত গরুর মাংস বিক্রির বিষয়টি মাংস ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম স্বীকার করলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে সাজা ও জরিমানা প্রদান করেন ভূমি কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ। সাজাপ্রাপ্ত ফখরুল ইসলামকে থানা পুলিশের মাধ্যমে সিলেট জেলহাজতে পাঠানো হয় বলে জানা যায়।


No comments:

Post a Comment

Pages