নিজস্ব সংবাদদাতা : সিলেটের ট্রাফিক ডিসি, এডিসি প্রত্যাহারসহ ৬ দফা দাবিতে জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ মানববন্ধন করেছেন। দাবি না মানলে ১১ অক্টোবর বাস ধর্মঘটের ডাক দেন তারা।
শনিবার (৯ অক্টোবর) সিলেটের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে এ মানববন্ধন পালিত হয়।
মানববন্ধনের আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রেরণ করেন নেতৃবৃন্দ।
সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবুল মুহিমের পরিচালনায় শনিবার অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কার্যকরী কমিটির সভাপতি রুনু মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মিয়া মবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত আবুল।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক অযথা হয়রানি বন্ধ করতে হবে। সিলেটে যেহেতু পার্কিং-এর স্থান নেই সেহেতু রং পার্কিং-এর মামলা বন্ধ ও দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি ছাড়া রেকারিং বিল আদায় বন্ধ করতে হবে। সিলেট মেট্রোপলিট পুলিশের (এসএমপি) ট্রাফিক বিভাগের ডিসি ফয়ছল মাহমুদ, এডিসি জৌতির্ময় সরকার ও ট্রাফিক সার্জন নুরুল আফছারকে প্রত্যাহার করতে হবে। মেয়াদ উত্তীর্ণ লামাকাজি সেতু, শেওলা সেতু, শেরপুর সেতু, ফেঞ্চুগঞ্জ সেতু থেকে টোল আদায় বন্ধ ও শাহপরাণ সেতু থেকে অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধ করতে হবে। বিআরটিএ সিলেট অফিসে শ্রমিক হয়রানি বন্ধ ও নবায়ন ড্রাইভিং লাইসেন্স তিন মাসের মধ্যে ও নতুন ড্রাইলেন্স ছয় মাসের মধ্যে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ৩ বছর আগে শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় একটি ছাত্র নিহতের ঘটনায় জেলে বন্ধি শ্রমিকদের মুক্তি দিতে হবে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৬ সেপ্টেম্বর ওই দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবরে প্রেরণ করি আমরা। এতে উল্লেখ করা হয়েছে- দাবি না মানলে ১১ অক্টোবর ধর্মঘট পালন করব। কিন্তু প্রশাসন এখনো কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এই ৬ দাবি পূরণ না হলে ১১ অক্টোবর সিলেটে বাস ধর্মঘট পালন করতে আমরা বাধ্য হবে।
মানববন্ধনে সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি জসিম মিয়া, প্রচার সম্পাদক হারিছ আলী, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ, সদস্য সাহেদ আহমদ, মকবুল হোসেন বাদল, আলাউদ্দিন আহমদ, শাহ রিপন ও জসিম আহমদসহ শ্রমিক ইউনিয়নের কয়েক শ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
No comments:
Post a Comment