সময় ডেস্ক : সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমা থাকার সিসিকের ২৫নং ওয়ার্ডের মুছারগাঁও থেকে পূর্ব শত্রুতার জেরে ১৬ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী কিশোরীকে অপহরণ করা হয়েছে। অপহৃত কিশোরীর ভাই, মুছারগাঁও এর প্রবাসী আব্দুল হান্নানের ছেলে রাসেল আহমদ বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি অপহরণ মামলা (মামলা নং ১৮ (৮)২১ ধারা নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৭/৩০) করেছেন।
মামলার এজহার থেকে জানা যায়, গত ১৪ আগষ্ট রাতে অপহরণের ঘটনাটি ঘটে। পরদিন ভিকটিম স্কুলছাত্রীর সন্ধান না পেয়ে ছাত্রীর ভাই রাসেল আহমদ একটি সাধারণ ডায়রী করেন। পরবর্তীতে এক অনুসন্ধানে জানা যায়, দক্ষিণ সুরমা বাইপাশ রোডের ট্রান্সপোট ব্যবসায়ী হেলাল মিয়ার ছেলে আফসার আহমদ হৃদয় ও তার সহযোগীরা স্কুলছাত্রী কিশোরীটিকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে গেছে এবং অজ্ঞাত স্থানে রেখেছে।
![]() |
| মামলার প্রধান আসামী আফসার আহমদ হৃদয় |
অপহরণ মামলা দায়ের করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ সুরমা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রোকনুজ্জামান চৌধুরী। মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান ফাঁড়ির এসআই সফিকুল আলম খাঁন ৷ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও মামলা তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন তারা অপহৃত স্কুলছাত্রী কিশোরীকে উদ্ধার এবং অপহরণকারী আফসার আহমদ হৃদয়কে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন ৷
এ ব্যাপারে মামলার বাদী রাসেল আহমদের মামা ও সাপ্তাহিক বাংলার বারুদের নির্বাহী সম্পাদক সাংবাদিক বাবর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে মেয়েটিকে অপহরণ করা হয়েছে এবং ঘটনার সাথে শুধু একজনই জড়িত নয় আরো কয়েক নারী-পুরুষ জড়িত রয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে ৷ বাবর হোসেন আরো বলেন, অপহৃত ভিকটিমকে সংঘবদ্ধ অপরাধীরা সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থানা এবং মোগলাবাজার থানার চৌধুরী বাজার এলাকায় নিয়ে রেখেছিলো বলে লোকমুখে খবর পাওয়া গিয়েছিলো ৷
তিনি আরো অভিযোগ করে জানন, দক্ষিণ সুরমা এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল বিষয়টি নিয়ে ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে এবং তাদের সাথে দক্ষিণ সুরমা থানার একাধিক কর্মকর্তা সহযোগীতা করে চলেছেন। যদিও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের যথেষ্ট আন্তরিকতা দেখা যাচ্ছে।


No comments:
Post a Comment