প্রেস-বিজ্ঞপ্তি : বুধবার (১৬ জুন) থেকে সিলেটে শুরু হয়েছে ট্রাফিক সপ্তাহ। সাতদিনের ট্রাফিক সপ্তাহ'র প্রথমদিনে বিভিন্ন বাহনকে ২৫২টি মামলা এবং ১৫৭টি যানবাহন আটক করেছে পুলিশ।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক পুলিশ মধুবন পয়েন্ট, শেখঘাট পয়েন্ট, শিবগঞ্জ পয়েন্ট ও ওভার ব্রিজের নিচে চেকপোস্ট পরিচালনা করে মোট ১৩৬টি মামলা ও ৯৮টি গাড়ি আটক করা হয়।
এছাড়া ট্রাফিক বিভাগের QRT টিম বিভিন্ন স্থানে অভিযান ও চেকপোস্ট পরিচালনা করে ৭১টি মামলা ও ৩৮টি যানবাহন আটক করে। পাশাপাশি বিভিন্ন পয়েন্টে ডিউটিতে নিয়োজিত ট্রাফিক পুলিশ ৪৫টি মামলা ও ২১টি গাড়ি আটক করে।
আটক যানবাহনের মধ্যে সিএনজি ১০টি, মোটরসাইকেল ১১৩টি, প্রাইভেট কার ০৭টি ও অন্যান্য ২৭টি আটকসহ মোট ১৫৭টি এবং ১১৩টি সিএনজি, ১১৩টি মোটরসাইকেল, ১৯টি প্রাইভেট কার ও অন্যান্য ০৭টি সহ মোট ২৫২টি মামলা করা হয়।
এর আগে ট্রাফিক পক্ষ সামনে রেখে মঙ্গলবার (১৫ জুন) সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (ট্রাফিক) ফয়সল মাহমুদ ট্রাফিক বিভাগের টিআই ও সার্জেন্টদের ৫টি বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন।
নির্দেশনাগুলো হলো- ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া নগরীতে গাড়ি চলবে না, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় চালকসহ মোট চার জন থাকবে, সার্কিট হাউজ থেকে আম্বরখানা পয়েন্ট পর্যন্ত রাস্তায় রং পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম চালানো হবে, হেলমেটবিহীন রাইডারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ট্রিপল (তিনজন) রাইডারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ব্যাপারে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (ট্রাফিক) ফয়সল মাহমুদ বলেন, ‘এসএমপির কমিশনার নিশারুল আরিফ মহোদয়ের সার্বিক নির্দেশনাক্রমে ট্রাফিক পক্ষ উপলক্ষে সড়কে শৃঙ্খলা আনা হবে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য সারা বছর আমরা সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাস্তবায়নের জন্য আমরা কঠোর পরিশ্রম করি। ট্রাফিক পক্ষ উপলক্ষে আমাদের এ নিয়মিত কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জোরদার করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশার কাগজপত্র পরীক্ষা এবং অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন, হেলমেটবিহীন ও ট্রিপল রাইডিং এবং সার্কিট হাউজ থেকে আম্বরখানা পর্যন্ত রাস্তায় রং পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রমের বিষয়টিকে এবারের ট্রাফিকপক্ষে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সবাই ট্রাফিক আইন মেনে চলা ও ট্রাফিকপক্ষে সহযোগীতা করার আহবান জানানো হয়।


No comments:
Post a Comment