সময় ডেস্ক : বুড়িগঙ্গা নদীর সদরঘাটের শ্যামবাজার উল্টিগঞ্জ পয়েন্টে লঞ্চডুবিতে ৩২ জনের মৃত্যু হয়। সোমবার (২৯ জুন) রাত লঞ্চটি উদ্ধার করা হয়। তার ভেতর থেকে ১৩ ঘণ্টা পর ১০টার দিকে সুমন (৩২) নামের এক যুবককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালের কেজুয়ালিটি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, সোমবার রাত দশটার দিকে টিউবের সাহায্যে লঞ্চটি ভাসিয়ে তোলা হয়। এমন সময় সবাইকে চমকে দিয়ে লঞ্চের এক কোণা থেকে বেরিয়ে আসেন এই ব্যক্তি।
সুমনকে উদ্ধারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের ডেপুটি ডিরেক্টর দেবাশিষ বর্ধন জানান, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিটি ইঞ্জিন রুমে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ ইঞ্জিন রুম এয়ারটাইট হওয়ায় সেখানে পানি প্রবেশ করে না। ১০টা ১০ মিনিটের দিকে কুশন পদ্ধতি ব্যবহার করে জাহাজ ভাসানোর চেষ্টা করা হলে সম্ভবত ইঞ্জিনরুম খুলে যায়। সে সময় তিনি বের হয়ে আসেন এবং উদ্ধারকর্মীরা তাকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধার হওয়া ওই ব্যক্তি মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাহপুরের বাসিন্দা। তার বাবার নাম সজল ব্যাপারি।
সোমবার সকালে সদরঘাটের শ্যামবাজার পয়েন্টে ময়ূর-২ নামের লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে যায় মর্নিং বার্ড লঞ্চ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও কোস্ট গার্ড। তাদের সঙ্গে উদ্ধারকাজে যোগ দেন স্থানীয়রাও।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮ জন নারী, ৩ জন শিশুসহ ৩২ জন যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

No comments:
Post a Comment