সময় ডেস্ক : করোনাভাইরাস মোকাবেলায় শনিবার (২০ জুন) থেকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) ২৪ টি ওয়ার্ডকে রেড জোন ধরে লকডাউন দেয়া হবে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে নগর ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় আগামী শনিবার লকডাউন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে সদ্য প্রয়াত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের স্বরণে সবাই এক মিনিট নিরবতা পালন করেন।
সভা শেষে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সভায় সকলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী বৃহস্পতিবারের বদলে শনিবার থেকে লকডাউন করার প্রস্তাব করা হয়। কারণ বুধবার আর পরদিনই যদি লকডাউন হয় তাহলে মানুষ বাজার বা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারবে না।
বুধবার ও বৃহস্পতিবার ব্যাংক, অফিস, আদালত খোলার সুবিধা নিয়ে মানুষ নিজেদের কাজ সেরে নিতে পারবে। সেজন্য আমরা শনিবার লকডাউন করার জন্য একটি প্রস্তাব স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ে প্রেরণ করার সিদ্ধান্ত নেই।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিদায়ক রায় চৌধুরী, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মন্ডল, কোতয়ালী থানার সহকারী কমিশনার (এসি) নির্মলেন্দু চক্রবর্তী, শাহপরান থানার সহকারী কমিশনার (এসি) আফসর, সিটি কর্পোরশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম, সিলেট সিটি কর্পোরশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হানিফুর রহমান, কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ, রাশেদ আহমদ, এডভোকেট সালেহ আহমদ সেলিম, আজাদুর রহমান আজাদ, শান্তনু দত্ত (সনতু), রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী, মো. তারেক উদ্দিন তাজ, আফতাব হোসেন খান, রেবেকা আক্তার লাকী, এস.এম. শওকত আহমদ তৌহিদ, শাহানারা বেগম, মো. ছয়ফুল আমিন বাকের, সিকন্দর আলী, এবিএম জিল্লুর রহমান, ফরহাদ চৌধুরী শামীম, মোহাম্মদ তৌফিক বক্স লিপন, মোস্তাক আহমদ, বিক্রম কর, তৌফিকুল হাদী, মখলিছুর কামরান প্রমুখ।
তার আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) সিলেট সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত এক সভায় সিলেট নগরীর ২৪টি ওয়ার্ডকে রেড জোন চিহ্নিত করে এসব ওয়ার্ডকে লকডাউন করার প্রস্তাব দেয় সিলেট সিটি কর্পোরেশন। সিসিকের দেয়া প্রস্তাবনা অনুযায়ী আগামী বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রেড জোনের আওতায় থাকা নগরীর ১ থেকে ২৪ নং ওয়ার্ড লকডাউনের আওতায় আসতে পারে বলে জানানো হয়েছিল।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেছিলেন, নগরীর ১ থেকে ২৪ নং ওয়ার্ড পর্যন্ত রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ মর্মে একটি লিখিত প্রতিবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এখন সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে সিলেটের সিভিল সার্জন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

No comments:
Post a Comment