সময় ডেস্ক : সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) সোহেল উদ্দিনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা রয়েছে। ওই মামলায় বুধবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম-১৫ নং আদালতে হাজির হলে আদালতের বিচারক নাজনীন আক্তার আসামি সোহেল উদ্দিনের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
সিআর- ২৩৪১/২০২২ নম্বর মামলায় জামিনে ছিলেন এএসপি সোহেল উদ্দিন। গত মাসে এ মামলায় তার বিচার শুরু হয়।
এএসপি সোহেল উদ্দিনের বিরুদ্ধে আরও দুটো মামলায় বুধবার বিচার কার্যক্রম শুরুর দিন ধার্য্য ছিল।
বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুসলেহ উদ্দিন জসিম প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় এসি সোহেল উদ্দিনের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর অভিযুক্ত সোহেল উদ্দিন প্রিন্সের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন সহকারী কর কমিশনার মোসা. তানজিনা সাথী।
এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে বাদীনি ও সোহেল উদ্দিন প্রিন্স ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। পরিচয়ের সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। সোহেল উদ্দিন বাদীনিকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়। বাদীনি ও তার পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্কের সুবাদে সোহেল উদ্দিন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অজুহাতে তাদের কাছ থেকে ২ কোটি ৩২ লাখ ১১ হাজার টাকা নেন । পরে বাদীনিকে অভিযুক্ত সোহেল উদ্দিন আর বিয়ে করেননি। আর টাকাও ফেরত দেননি।
সিলেট মহানগর পুলিশ সূত্র জানায়, সম্প্রতি কোতোয়ালী থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) সোহেল উদ্দিন ছুটিতে যান। ছুটিতে থাকাকালীন যদি কোনো ব্যক্তিগত অপকর্মে কারাবন্দি হন তাহলে আমাদের করার কিছু নেই। তবে অফিসিয়াল কোনো কাজে তিনি কারাবন্দি নন।
উল্লেখ্য, চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার মনতলা গ্রামের মৃত মো. হাবিব উল্লার ছেলে মো. সোহেল উদ্দিন। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কোতোয়ালি থানার বর্তমান সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি)। ২০১৭ সালে ৩৬ তম বিসিএস পরীক্ষায় সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদে উত্তীর্ণ হন । কিন্তু কর্মজীবনে তিনি একের পর এক নারীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন।

No comments:
Post a Comment