সময় ডেস্ক : বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্টপতি জিয়াউর রহমান ও আপোষহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছোট ভাই মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের সাথে স্মৃতিচারণ ও দুপুরের অপ্যায়ন করেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) গ্রীন ডিজএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন পরিচালনা পরিষদের সহ-সভাপতি এডভোকেট রাকিব আলী খানের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব নির্বাহী পরিচালক বায়েজিদ খানের পরিচালনায় স্মৃতিচারণ করে রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয়ে অকালে ঝরে গেল কোকোর প্রাণ। এ মৃত্যুর দায় শেখ হাসিনা কখনো এড়াতে পারবে না।
তিনি বলেন, আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন বাংলাদেশের একজন পুরোদস্তর ক্রীড়া সংগঠক। তিনি কখনও খেলার ভেতরে রাজনীতিকে অন্তর্ভুক্ত করেননি। কোকোর ক্রীড়া ক্ষেত্রে দূরদৃষ্টির কারণেই বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ এ পর্যায়ে এসেছে।
শুধু তিনি নন পুরো জিয়া পরিবারই এদেশের ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন। এদেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে কোকোর অবদান অনস্বীকার্য। আরফাত রহমান কোকোই বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বিশ্বমানে উন্নীত করেছেন।
কয়েস লোদী বলেন, একজন আরাফাত রহমান কোকো সৃষ্টি হয়েছিলেন বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য, সৃষ্টি হয়েছিলেন ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নের জন্য। আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন এদেশের একজন মেধাবী ক্রীড়া সংগঠক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি মাহবুব কাদির শাহী, প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজিবুর রহমান নজিব, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক জাহেদ তালুকদার, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. সুলেইমান আহমদ, বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (বিএমজেএ) সিলেট বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক জাবেদ এমরান প্রমুখ।
দোয়া মাহফিলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আপোষহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া, মরুহুম আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফেরাত কামনা ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আনিসুল হক।

No comments:
Post a Comment