বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন শামীমাবাদ ও ঘাসিটুলা এলাকার ১০টি গ্যারেজে অভিযান চালায় সিলেট জেলা প্রশাসন, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব ৯), পুলিশ প্রশাসন ও বিদ্যুৎ বিভাগ।
অভিযানকালে ওইসব গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ১০টি মিটার, ১৪৫ ফুট তার ও ১৮০টি চার্জিং পয়েন্ট জব্দ করা হয়। সিলেট বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে প্রাপ্ত ৩৮টি চার্জিং পয়েন্টের তালিকা অনুযায়ী সেগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কাজ চলছে।
গত সোমবার থেকে চলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৭৫টি ব্যাটারিচালিত রিকসাসহ ২৬১ যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। আর মামলা দেয়া হয় শতাধিক যানবাহনের বিরুদ্ধে।
আর ট্রাফিকপুলিশ সোম ও মঙ্গলবার দু'দিন নগরীর পাঁচটি পয়েন্ট ও বুধবার দশটি পয়েন্টে অবস্থান করে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে চলা পুলিশের বিশেষ অভিযানের
প্রথমদিন সোমবারঃ- আটক করা হয় ৮৭টি যানবাহন। তার মধ্যে ব্যাটারিচালিত রিকসা-৬৫টি, সিএনজি অটোরিকশা-৫টি, লেগুনা-১টি, মোটরসাইকেল-১৪ টি, ট্রাক-১টি ও পিকআপ-১টি। মামলা দেয়া হয় ১৭টি বাহনে। তার মধ্যে সিএনজি অটোরিকশা-২টি, মোটরসাইকেল-১১টি, কার-২টি, পিকআপ-১টি ও ট্রাক-১টি ছিলো।
দ্বিতীয় দিন বুধবারঃ- মামলা হয় ৩২টি। তার মধ্যে সিএনজি অটোরিকশা-১০টি, মোটরসাইকেল-১৭টি মাইক্রোবাস-১টি, ট্রাক-৩টি, পিকআপ-১টি। আটক করা হয় ১০৫টি যানবাহন। তার মধ্যে ব্যাটারিচালিত রিকসা-৬৬টি, সিএনজি অটোরিকশা-৫টি, লেগুনা-৩টি, মোটরসাইকেল-২৮টি, ট্রাক-২টি ও পিকআপ-১টি।
তৃতীয় দিন বুধবারঃ- বিশেষ অভিযানে ৬৯ যানবাহন আটক করা হয়। তার মধ্যে ব্যাটারিচালিত রিকসা-৪৪টি, সিএনজি অটোরিকশা-২টি, মোটরসাইকেল ২২টি, পিকআপ-১টি। মামলা দেয়া হয় ৩১টি। তার মধ্যে সিএনজি অটোরিকশা-৪টি, মোটরসাইকেল-১৮টি, ট্রাক৷-২টি, মাইক্রোবাস-২টি, কার-৩টি ও পিকআপ-২টি তে।
আজ অভিযান নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেছেন, নগরী ব্যাটারিচালিত রিকসামুক্ত না হওয়া পর্যন্ত চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অবৈধ সিএনজি অটোরিকশাসহ অন্যান্য যানবাহনের বিরুদ্ধেও অভিযান চলবে। নগরীতে গড়ে ওঠা অটোরিকশা গ্যারেজের চার্জিং পয়েন্ট চিহ্নিত করে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হবে। তিনি আরো বলেন, লালদিঘীরপারে হকার্স মার্কেটের প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে হকারদের সেখানে যেতে হবে। না গেলে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান শুরু হবে।



No comments:
Post a Comment