সময় ডেস্ক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বুধবার ট্রেনের ছাদে দাঁড়িয়ে শর্ট ভিডিও বানাতে গিয়ে ট্রেনের ছাদ থেকে ছিটকে পড়ে আহত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুজন হলো।
নিহতরা হলো– কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার করিম মিয়ার ছেলে আবদুল কাইয়ুম (২২) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার তারেক মিয়া (২০)। আবদুল কাইয়ুমের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় তারেকের।
তার আগে বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী আন্তঃনগর ট্রেন পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের একটি কোচের ছাদে দাঁড়িয়ে টিকটক ভিডিও করতে গিয়ে রেললাইনের ওপর দিয়ে যাওয়া ডিশের তার লেগে ছিটকে পড়ে ৪ তরুণ।
স্থানীয় লোকজন ও রেল পুলিশ জানায়, পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি আখাউড়ার গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশন অতিক্রম করে মোগড়া রেলওয়ে সেতু এলাকায় পৌঁছলে ট্রেনের একটি কোচের ছাদে থাকা চার তরুণ উঠে দাঁড়ায় এবং টিকটক ভিডিও করতে শুরু করে। সেসময় রেললাইনের উপর দিয়ে যাওয়া ডিস লাইনের তারে লেগে তারা ট্রেন থেকে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। স্থানীয় লোকজন আহত অন্য ৩ জনকে উদ্ধার করে। দুজনকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং একজনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে আহত তারেকের মৃত্যু হয়।
আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. লুৎফুর রহমান বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যে দুজনকে আনা হয়েছিল দুজনই অজ্ঞান ছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একজন নিহত হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। তবে তাঁর মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়নি।’
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন খন্দকার বলেন, ‘ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে দুপুরে আরেকজন নিহত হন। আহতরা হলো– ইকরাম হোসেন (১৮) ও কসবার বিল্লাল মিয়া (২২)।’

No comments:
Post a Comment