বিদ্যুতের ব্যাপারে আমেরিকার চেয়ে বাংলাদেশের মানুষ ভদ্র - সময় আমাদের (somoy amader)

শিরোনাম


Tuesday, 4 October 2022

বিদ্যুতের ব্যাপারে আমেরিকার চেয়ে বাংলাদেশের মানুষ ভদ্র

 



মন্তব্য প্রতিবেদন :
মঙ্গলবার (০৪ অক্টোবর) দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত বাংলাদেশের ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহে সাব ব্লাক আউট হয়েছে। 


কোনো কারণে যদি ডিমান্ড অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়ে যায় বা সাপ্লাই কমে যায় তখন পাওয়ার স্টেশন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, সাবস্টেশনসহ পুরো গ্রিডের সেফটি সিস্টেম ট্রিপ করে।


আমাদের দেশের বিদ্যুৎ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার দিক পরিবর্তন করে। আমেরিকায় যা ৬০ হার্টজ।


সে হিসেবে সাব ব্লাক আউট বলতে দেশের নির্দিষ্ট এলাকায় ব্লাক আউট এবং ব্লাক আউট বলতে পুরো গ্রিড ফেইল করাকে বোঝায়।


দেশের ৮০-৯০% এলাকায় বিদ্যুৎ ছিলনা ৭ থেকে ১০ ঘন্টা। ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহতে ব্লাক আউট হয়।


মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিদ্যুতের ফ্রিকুয়েন্সি মিনিমাম ৪৮ এর নিচে নেমে যায়। যদিও, ট্রান্সমিশন লাইন-১ এ সমস্যা তা প্রায় সবাই জানি।


ট্রান্সমিশন লাইন পরোক্ষভাবে পুরো দেশের গ্রিড সেবার সাথে সংযুক্ত। মুল সমস্যা খুজে বের করা সময়সাপেক্ষ। 


তার আগে ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর বেলা ১১টা ২৭ মিনিট ৪১ সেকেন্ডে সারাদেশ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। টানা ১২ ঘণ্টা পুরো দেশে বিদ্যুৎ ছিল না। দেশজুড়ে এই ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয়  ব্ল্যাক আউট নামে পরিচিত।


ঘরে যখন হুট করে আমরা একটি বাতি জ্বালাই, ফ্যান চালাই তার জন্যেও দেশের কোন না কোন বিদ্যুতকেন্দ্রের টার্বাইন একটু হলেও জোরে ঘুরে (৫০ হার্টজ এর বেশী না, এর অর্থ একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অন্যান্য ইউনিটকেও সার্ভিসে আসতে হয়)। তাই বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া দরকার। 


টেকনিক্যাল সমস্যায় বিদ্যুৎ আসবার পর বেশ কয়েকবার লোডশেডিং হবে অন্য কোথাও ফল্ট আছে কিনা ডিটেকশন এর জন্য। সুতরাং ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করা ছাঁড়া কোন পথ থাকেনা।


ইউরোপ-আমেরিকায় ব্লাক আউট হলে বেড়ে যায় চুরি, লুটপাট। মানুষ ধৈর্যচ্যুত হয়ে সর্বত্র ভাংচুর করে আইন ব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায়। সে হিসেবে বাংলাদেশের মানুষ অত্যান্ত ভদ্র, সহনশীল ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।


No comments:

Post a Comment

Pages