রাষ্ট্রের জন্য নাগরিকদের জীবন হুমকির মুখে : সংসদে রুমিন ফারহানা - সময় আমাদের (somoy amader)

শিরোনাম


Sunday, 6 June 2021

রাষ্ট্রের জন্য নাগরিকদের জীবন হুমকির মুখে : সংসদে রুমিন ফারহানা


সময় ডেস্ক :
টিকা নিয়ে নয়ছয় করার কারণে রাষ্ট্রের নাগরিকদের জীবন হুমকির মুখে পড়েছে বলে সংসদে অভিযোগ করেছেন বিএনপি দলীয় সংরক্ষিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

 

রোববার (০৬ জুন) সংসদের বৈঠকে সম্পুরক বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন। সকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।


আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘মহামারির শুরু থেকেই টিকা ব্যবস্থা নিয়ে নয়ছয় দেখা গেছে। সেরাম ইনস্টিটিউটের ছয় মাসে তিন কোটি ডোজ দেওয়ার কথা ছিল। মূল্য পরিশোধ করার পরেও টিকা আসে মাত্র ৭০ লাখ পিস। আর এরমধ্যেই একটি কোম্পানি লাভ করে নিয়েছে ৩৮ কোটি টাকা। নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষায় চাপের কারণেই সরকার বিকল্প পথে যেতে পারে নাই। এটা কে বলেছেন? বলেছেন আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এবং তিনি যখন একথা বলেন সেটা নিয়ে আর সন্দেহের কোন অবকাশ থাকে না। ‘


প্রথম আলোর সিনিয়র প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে স্বাস্থ্যখাতের ভয়ঙ্কর দুর্নীতির খবর এসেছে। হেলথ টেকনিশিয়ান নিয়োগে মাথাপিছু ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তিনি যখন একাধিক রিপোর্ট নিয়ে স্বাস্থ্যখাতে অনিয়ম দুর্নীতি তুলে ধরেছেন তখন তাকে চরমভাবে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে।

 

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বরাদ্দ বাড়লেও বিগত ১০ বছরের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতের এডিপি বাস্তবায়ন এ বছরই সবচেয়ে কম। চলতি অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে বাজেটের মাত্র ২৫ শতাংশ ব্যয় করতে পেরেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। অথচ করোনায় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

 

তিনি বলেন, অকল্পনীয় দামে বালিশ, পর্দা, কাঁটাচামচ কিনতে দেখা গেছে। এখন দেখা যাচ্ছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ২৫০টাকার বিশেষ সুই ২৫০০ হাজার টাকায় কেনা হচ্ছে।


রুমিন ফারহানা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বারবার নির্দেশনা দেওয়ার পরেও দেশের ৪২ টি জেলায় এখনো সরকারি পর্যায়ে কোন আইসিইউ নেই কেন? চিকিৎসাসেবা এখন ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। ব্যক্তি খাতের ব্যয় কমার বদলে ৬৭ ভাগ থেকে বেড়ে দাঁডিয়েছে ৭২ ভাগ। এর ফলে স্বাস্থ্যব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতিবছর প্রায় ৬৬ লাখ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে চলে যায়।


সূত্র: সমকাল


No comments:

Post a Comment

Pages