নিজস্ব সংবাদদাতা : সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুরে দুই সন্তানসহ এক মাকে গলাকেটে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন- বিন্নাকান্দি গ্রামের দিন মুজুর হিফজুর রহমানের স্ত্রী আলিমা বেগম (৩০), তার ছেলে মিজান (১০) ও মেয়ে তানিশা (৩)।
বুধবার (১৬ জুন) সকালে পুলিশ তিনজনের লাশ উদ্ধার করে মর্গে ও গুরুতর আহত হিফজুর রহমানকে চিকিৎকরা জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
প্রতিবেশী ও পুলিশ সূত্র জানায়, বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি দেখে প্রতিবেশীরা হিফজুরের ঘরের সামনে যান। ভেতর থেকে শব্দ শুনে তারা দরজায় ধাক্কা দেন। এসময় ঘরের দরজা খোলা ছিল। ভেতরে প্রবেশ করে খাটের মধ্যে তিন জনের জবাই করা ও কুপানো মরদেহ এবং হিফজুরকে রক্তাক্ত দেখে পুলিশে খবর দেন। গোয়াইনঘাট থানার এসআই মহসিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গিয়ে লাশ তিনটি উদ্ধার করেন এবং হিফজুরকে হাসপাতালে পাঠান। হিফজুরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে দায়ের কোপ ছিল।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে সিলেট পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন আহমদ পিপিএম গণমাধ্যমকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক দ্বন্দ্ব এবং মামার বাড়ির সাথে ঝামেলার কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। কারণ হিফজুর রহমান দীর্ঘদিন থেকেই মামার বাড়িতে থাকছেন। এটি হয়তো মামার বাড়ির লোকজন ভালোভাবে নেননি। সেজন্য হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে। এছাড়া হিফজুর রহমানের পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণেও এটি হতে পারে। আমরা মূলত এসব বিষয় সামনে রেখেই প্রাথমিক তদন্ত করছি।
ঘটনাস্থল থেকে আমরা যে বটি দা উদ্ধার করেছি তা কুমড়া পাতা দিয়ে মোড়ানো ছিল। সেজন্য হিফজুর রহমানকেও সন্দেহের তালিকায় রাখা হচ্ছে। যতো দ্রুত সম্ভব ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন করা হবে বলে জানান পুলিশ সুপার।


No comments:
Post a Comment