সময় ডেস্ক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার রয়েল রিসোর্টে হেফাজত নেতা মামুনুলক হককে অবরুদ্ধের জেরে ব্যাপক সহিংসতা, হামলা ও ভাঙচুর হয়। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামি হেফাজত ও খেলাফত মজলিশের সভাপতিসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন খেলাফত মজলিশ সোনারগাঁ উপজেলার শাখার সভাপতি ইকবাল হোসেন, হেফাজত ইসলাম সোনারগাঁও উপজেলা শাখার আমির হাফেজ মাওলানা মহিউদ্দিন খাঁন, সেক্রেটারি মাওলানা মো. শাহজাহান খাঁন শিবলী ও সহসভাপতি হাফেজ মোয়াজ্জেম হোসেন।
রোববার বিকেলে ঢাকার শ্যামপুর থানাধীন জুরাইন রেলগেইট বাজার মসজিদের সামনে ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ে থেকে ওই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম জানান, গত ৩ এপ্রিল হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক একজন নারীসহ সোনারগাঁয়ের ‘রয়েল রিসোর্টে’ সন্দেহজনকভাবে স্থানীয় জনতার হাতে অবরুদ্ধ হওয়ার পর বিক্ষুব্ধ হেফাজতকর্মীরা রয়েল রিসোর্ট ভাঙচুরসহ এলাকায় তাণ্ডব সৃষ্টি করে।
রয়েল রিসোর্ট ছাড়াও হেফাজতকর্মীরা ঘটনার দিনে সোনারগাঁও এলাকার একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যাপক সহিংসতা, গাড়ি ভাঙচুর, নাশকতা সৃষ্টি ও অগ্নিসংযোগ করে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটায়, জনমনে ভয়ভীতি সঞ্চার এবং সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করে। ওই সময় সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মসজিদের ইমাম ও খেলাফতে মজলিশ সোনারগাঁ উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মো. ইকবাল হোসেন মাগরিবের নামাজের পর মসজিদের মাইকে উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রচার করে লোক জমায়েত করে এবং ওই হামলার নেতৃত্ব দেন।
ওই ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা ও পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে পৃথক ৬টি মামলা করে। গ্রেফতারকৃতরা ওইসব মামলার অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি।

No comments:
Post a Comment