সময়
ডেস্ক : প্রায়
১০ টিরও
বেশি যৌন
নির্যাতন বিষয়ক
অভিযোগ থাকলেও
নিষ্পত্তি হচ্ছে না একটিরও।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
যৌন নির্যাতন
প্রতিরোধ সেল
নামেমাত্র, দৃশ্যমান কোন কাজ নেই। সভাপতি
পদটিও রয়েছে
৬ মাস
ধরে শূন্য। ওই
পদ থেকে
সমাজকর্ম বিভাগের
অধ্যাপক ড.
জান্নাতুল ফেরদৌসের পদত্যাগের পর থেকে
পড়ে আছে
সেলের কার্যক্রম।
২০১৯
সালের ৮
আগস্ট ব্যক্তিগত
কারণ দেখিয়ে
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস
সোবহান বরাবর
পদত্যাগপত্র জমা দেন অধ্যাপক ফেরদৌস। পদত্যাগপত্র
জমা দিয়ে
সভাপতির কার্যক্রম
থেকে সরে
আসেন তিনি।
এই
অবস্থায় কার্যক্রম
ঝুলে আছে
বলে জানাচ্ছেন
সেলের সদস্য
সচিব ও
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.
লায়লা আরজুমান
বানু।
অধ্যাপক
বানু জানান,
শিক্ষা ও
গবেষণা ইনস্টিটিউট,
প্রাণ রসায়ন
ও অনুপ্রাণ
বিজ্ঞান বিভাগ,
ক্রপ সায়েন্স
বিভাগসহ বিভিন্ন
বিভাগের প্রায়
১০ টি
অভিযোগ রয়েছে। সভাপতি
না থাকায়
সেলের কার্যক্রম
এখন বন্ধ। দীর্ঘসূত্রীতা
বাড়ছে।
নতুন সভাপতি
না আসলে
কার্যক্রম পরিচালনা একটু মুশকিল হয়ে
পড়েছে।
সেলের
কার্যক্রমের বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক
ড. জান্নাতুল
ফেরদৌস বলেন,
দায়িত্বের সময়ে বড় অভিযোগ ছিলো
শিক্ষা ও
গবেষনা ইনস্টিউটের
শিক্ষক বিষ্ণু
কুমার অধিকারীর
বিষয়টি।
আমরা অভিযোগটার
বিষয়ে অনেক
দূর গিয়েছিলাম। শুধু
ওই শিক্ষকের
একটি বক্তব্য
দরকার ছিলো। শেষ
পর্যন্ত চলে
আসছিলাম তারপরও
শেষটা হয়নি। এর
পরেই পদত্যাগ
পত্র জমা
দিয়েছিলাম।
এদিকে
পদত্যাগপত্র জমা হলেও সভপতিকে অব্যাহতি
দেওয়া হয়েছে
কিনা সে
বিষয়ে সিদ্ধান্ত
আসেনি।
সেই পদে
নতুন কোনো
সভাপতি নিয়োগ
দেননি বিশ্ববিদ্যালয়
উপাচার্য।
পদত্যাগপত্রের
বিষয়ে সিদ্ধান্ত
না হলেও
সেলের কার্যক্রমে
অংশ নিচ্ছেন
না কেন
সে বিষয়ে
জানতে চাইলে
অধ্যাপক ড.
জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, যেহেতু পদত্যাগপত্র
জমা দিয়েছি
এবং আমাকে
কোনো সিদ্ধান্ত
জানানো হয়নি। সে
কারণে আমি
আর সেলের
কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছি না।
এখন নতুন
কাউকে নিয়োগ
দিয়ে সেলটি
সক্রিয় করা
হবে বলে
আশাবাদ ব্যক্ত
করেন তিনি।

No comments:
Post a Comment