বিএনপি সরকার গঠনের পথে - সময় আমাদের (somoy amader)

শিরোনাম


Thursday, 12 February 2026

বিএনপি সরকার গঠনের পথে


সময় ডেস্ক :
দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে প্রাথমিক ও বেসরকারি প্রাপ্ত ফলাফলে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের শরিক জোট।


বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই জোট এরিমধ্যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন (১৫১) বেসরকারিভাবে নিশ্চিত করা করেছে।


গভীর রাত পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৪১টির বেসরকারি ফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় বিএনপি ও শরিক জোট ১৮৬টি আসন নিয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে রয়েছে।


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (১১ দলীয় জোট) ৫২টি আসনে জয়লাভ করে দ্বিতীয় প্রধান শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র তিনটি আসনে জয় পেয়েছে। বাকি আসন ৭৬টি আসনের ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে।


বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে দেশজড়ে একযোগে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটদান চলে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হয় গণনা কার্যক্রম।


নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবারের নির্বাচনে অংশ নিয়েছে রেকর্ডসংখ্যক ৫০টি রাজনৈতিক দল। মোট ২ হাজার ২৯ জন প্রার্থীর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ২৭৪ জন। নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণও ছিল চোখে পড়ার মতো, যার সংখ্যা ৮০ জন। সব মিলিয়ে নির্বাচনে ১১৯টি প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল, যা ভোটারদের সামনে বহুমুখী বিকল্প তৈরি করেছে।


দিনের শুরুতে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল এই নির্বাচনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা নির্ধারণে তরুণ প্রজন্মের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নির্বাচনকে আরও প্রাণবন্ত ও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।


২০০৮ সালে নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর এটিই ছিল সর্বাধিক দলের অংশগ্রহণে সবচেয়ে বড় নির্বাচনি উৎসব। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ প্রায় সব বড় রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নির্বাচনটিকে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে।


এখনও অনেক আসনের চূড়ান্ত ফলাফল আসা বাকি থাকলেও প্রাথমিক প্রবণতা বলছে, বিএনপি জোট একটি শক্তিশালী ম্যান্ডেট পেতে যাচ্ছে। তবে ১১ দলীয় জোটের হয়ে জামায়াতে ইসলামীর অভাবনীয় সাফল্য দেশের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন সারা দেশের মানুষের নজর নির্বাচন কমিশন ঘোষিত চূড়ান্ত ও পূর্ণাঙ্গ ফলাফলের দিকে।


বিএনপি জোট ১৮৬ আসনে বিজয়ী, জামায়াত জোট ৫১


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটযুদ্ধে এগিয়ে আছে বিএনপি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (রাত দেড়টা) বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি ও তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থীরা ১৮৩টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, বিএনিপর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় প্রার্থীরা জিতেছেন ৫১টি আসনে। স্বতন্ত্র ও অন্যান্য প্রার্থীরা জিতেছেন দুইটি আসন।


বিএনপি জোটের হয়ে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন- ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ তারেক রহমান, ঢাকা-১ খন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-২ আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৬ ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৭ হামিদুর রহমান হামিদ, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-১৩ ববি হাজ্জাজ, ঢাকা-১৮ এস এম জাহাঙ্গীর, ঢাকা-২৯ তমিজ উদ্দিন, নরসিংদী-১ খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-২ ড. আব্দুল মঈন খান, নরসিংদী-৩ মনজুর এলাহী, মানিকগঞ্জ-১ এস এ জিন্নাহ কবির, মানিকগঞ্জ-২ মঈনুল ইসলাম খান, মানিকগঞ্জ-৩ আফরোজা খানম রিতা, চট্টগ্রাম-২ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-২ সারওয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৩ মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ মীর হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম-৬ গিয়াস উদ্দীন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১১ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ মোহাম্মদ এনামুল হক, কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমদ, কক্সবাজার-২ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ লুৎফর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী, রাঙ্গামাটি অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান, খাগড়াছড়ি আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া, কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-৩ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৪ এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ, কুমিল্লা-৬ মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ আবুল কালাম, পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-৩ জাহিদুর রহমান জাহিদ, লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু, দিনাজপুর-১ মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জয়পুরহাট-২ আব্দুর বারী জয়ী, ঝিনাইদহ-১ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, রাজবাড়ী-২ হারুন অর রশীদ, নাটোর-১ ফারজানা শারমীন, নাটোর-২ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩ আনোয়ারুল ইসলাম, নাটোর-৪ আব্দুল আজিজ, পটুয়াখালী-৩ নুরুল হক নুর, বগুড়া-২ মীর শাহে আলম, ফেনী-৩ আব্দুল আউয়াল মিন্টু, মাগুরা-১ মনোয়ার হোসেন খান, মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী, লক্ষ্মীপুর -১ শাহাদাত হোসেন সেলিম, লক্ষ্মীপুর -২ আবুল খায়ের ভুইয়া, লক্ষ্মীপুর -৩ শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, লক্ষ্মীপুর-৪ আশরাফ উদ্দিন নিজান, 


সিলেট-১ খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সিলেট-২ তাহসিনা রুশদ লুনা, সিলেট-৪ আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট-৬ ইমরান আহমেদ, ভোলা-২ মো. হাফিজ ইব্রাহিম, ফেনী-২ ভিপি জয়নাল, গাজীপুর-১ মজিবুর রহমান, শরীয়তপুর-৩ মিঞা নুরুদ্দীন আহমেদ অপু, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, খুলনা-১ আমির এজাজ খান, খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫ আলী আজগর লবি, যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কুষ্টিয়া-১ রেজা আহমেদ বাচ্চু, ভোলা-১ আন্দালিভ রহমান পার্থ, ভোলা-৩ মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দীন আহমদ, পটুয়াখালী-১ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-৪ এবিএম মোশাররফ হোসেন, গোপালগঞ্জ-১ সেলিমুজ্জামান মোল্যা, গোপালগঞ্জ-৩ এস এম জিলানী, নওগাঁ-১ মোস্তাফিজুর রহমান, বান্দরবানে জয়ী সাচিং প্রু জেরী, সুনামগঞ্জ-২ আসনে নাসির উদ্দীন চৌধুরী জয়ী, সুনামগঞ্জ-৩ কয়ছর এম আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ নুরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ-৫ কলিমউদ্দীন আহমেদ মিলন, নাটোর-২ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩ আনোয়ারুল ইসলাম আনু, পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ ফরহাদ হোসেন আজাদ, বগুড়া-৪ মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৭ মোর্শেদ আলম, ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ, ফরিদপুর-৩ চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ শহিদুল ইসলাম বাবুল, রাজবাড়ী-১ আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, নোয়াখালী-৩ বরকত উল্লাহ বুলু, বাগেরহাট-৩ শেখ ফরিদুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-৮ লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, হবিগঞ্জ-১ রেজা কিবরিয়া, হবিগঞ্জ-২ সাখাওয়াত হোসেন জীবন, মৌলভীবাজার-৪ মুজিবুর রহমান চৌধুরী, নওগাঁ-৩ ফজলে হুদা, নওগাঁ-৪ একরামুল বারী টিপু, লালমনিরহাট-২ রোকন উদ্দিন বাবুল, নারায়ণগঞ্জ-১ মোস্তাফিজুর রহমান দীপু, টাঙ্গাইল-১ ফকির মাহবুব আনাম, টাঙ্গাইল-২ আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল-৪ লুৎফর রহমান খান মতিন, টাঙ্গাইল-৫ সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৬ মো. বরিউল আউয়াল, টাঙ্গাইল-৭ আবুল কালাম আজাদ, টাঙ্গাইল-৮ আহমদ আজম খান, নেত্রকোণা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, নেত্রকোণা-৪ লুৎফুজ্জামান বাবর, চাঁদপুর-১ এহসানুল হক মিলন, ভোলা-৪ নুরুল ইসলাম নয়ন, বরিশাল-৫ মজিবুর রহমান সারওয়ার, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে খালেদ হাসান মাহমুদ শ্যামল, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৪ ড. মুশফিকুর রহমান, মুন্সিগঞ্জ-৩ কামরুজ্জামান রতন, কিশোরগঞ্জ-১ মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ জালাল উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৩ ওসমান ফারুক, কিশোরগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৬ শরীফুল আলম, জামালপুর-১ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর-২ সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৩ মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল।


জামায়াত জোটের হয়ে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন- নীলফামারী-১ আব্দুস সাত্তার, নীলফামারী-২ আল ফারুক আব্দুল লতিফ, নীলফামারী-২ আব্দুল মোন্তাকিম, নীলফামারী-২ ওবাইদুল্লাহ খান সালাফী, নওগাঁ-২ এনামুল হক, বাগেরহাট-৪ আব্দুল আলীম, ফরিদপুর-১ ড. ইলিয়াস মোল্লা, পিরোজপুর-১ মাসুদ সাঈদী, পাবনা-১ নজিবুর রহমান মোমেন, পাবনা-৩ আলী আজগর, ঝিনাইদহ-৩ মাওলানা মতিয়ার রহমান, জয়পুরহাট-১ ফজলুর রহমান সাঈদ, কুষ্টিয়া-২ আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া-৩ আমির হামজা, কুষ্টিয়া-৪ আফজাল হোসেন, যশোর-৪ গোলাম রসুল, যশোর-৬ মোক্তার আলী, খুলনা-৬ আবুল কালাম আজাদ, মেহেরপুর-১ তাজ উদ্দীন আহমদ, মেহেরপুর-২ নাজমুল হুদা, যশোর-১ আজিজুর রহমান, যশোর-২ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ, ঝিনাইদহ-৪ মাওলানা আবু তালিব, সাতক্ষীরা-১ আসনে ইজ্জত উল্লাহ বিজয়ী, সাতক্ষীরা-২ আসনে আব্দুল খালেক জয়ী, সাতক্ষীরা-৪ আসনে নজরুল ইসলাম জয়ী, রংপুর-৬ আসনে মাওলানা নুরুল আমিন, রংপুর-৪ আসনে আখতার হোসেন, রংপুর-৫ আসনে গোলাম রব্বানী, কুড়িগ্রাম-৪ মোস্তাফিজুর রহমান, রংপুর-১ আসনে রায়হান সিরাজী জয়ী, রংপুর-২ এটিএম আজহারুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৬ জহিরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ কেরামত আলী।


সুনামগঞ্জ-১: বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী বিএনপির কামরুজ্জামান কামরুল


সুনামগঞ্জ–১ (ধর্মপাশা ও তাহিরপুর) আসনে বিএনপির কামরুজ্জামান কামরুল ৩৪, ৯৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের তোফায়েল আহমদ পেয়েছেন ২০ হাজার ৪০ ভোট। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জনি রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।



ঢাকা-১৭ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী তারেক রহমান


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বেসরকারি ফলে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 


বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ফেসবুক পেজ থেকে এক বার্তার মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।


বিএনপি পেজের পোস্টে বলা হয়, ঢাকা-১৭ আসনে বেসরকারি ফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিজয়ী হয়েছেন। তবে কত ভোটের ব্যবধানে তিনি বিজয়ী হয়েছেন এ বিষযে এখনো কোনো কিছু বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি।


এর আগে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।



পটুয়াখালী ৩ আসনে নুরুল হক নুরের জয়


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে (দশমিনা-গলাচিপা) বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ট্রাক প্রতিকের নুরুল হক নুর। 


তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী ঘোড়া প্রতিকের হাসান মামুন। এক ফেসবুক পোস্টে হাসান মামুন নুরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। 



বগুড়া-৬: ২৭ কেন্দ্রে দ্বিগুণ ভোটে এগিয়ে তারেক রহমান


বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৬ আসনের ২১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৪২৮ ভোট। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ৪২৮ ভোট।

বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৬ আসনের ২১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৪২৮ ভোট। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ৪২৮ ভোট।


আসনটিতে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫০টি। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। ভোট পড়েছে ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ।



বিএনপি প্রার্থী কায়কোবোদ কুমিল্লা-৩ আসনে নির্বাচিত


কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।  বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।



ঝিনাইদহ-১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী আসাদুজ্জামান


ঝিনাইদহ-১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।  বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।


ঝিনাইদহ-১ আসনে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট। এ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবু ছালেহ মো. মতিউর রহমান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট।


এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৫ হাজার ২৭৮ জন। এরমধ্যে, পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৩ হাজার ১ জন। আর নারী ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ২৭৭ জন।



কুমিল্লা-৪ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হাসনাত আবদুল্লাহ


কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।  বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।


শাপলা কলি প্রতীকে হাসনাত আবদুল্লাহ পেয়েছেন এক লাখ ৭২ হাজার ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসীমউদ্দীন পেয়েছেন ২৬ হাজার ভোট।


এর আগে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারাদেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি দেশজুড়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।


No comments:

Post a Comment

Pages