১ যুগেরও বেশি সময় ধরে নতুন কোন ট্রেন নেই এই রুটে, উল্টো মেইল/লোকাল বন্ধ করে আন্তঃনগর ট্রেবগুলোকে লোকাল বানিয়ে ফেলেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। দেশের অন্যান্য রুটে নতুন নতুন ট্রেন চালু করলেও সিলেটের বেলায় চরম উদাসীনতার প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছে। ঐদিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককের 6-লেনের কাজ চলমান থাকায় প্রতিদিনই যানজটের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সিলেটবাসীকে। বাস-কার দিয়ে রাজধানী যেতে কখন কতসময় লাগে তার কোনো নির্দিষ্টতা নেই।
কখনো ৭-৮ ঘন্টা, কখনো ১০-১২ ঘন্টা, কখনো ১৪-১৫ ঘন্টাও লেগে যায়। সেইসাথে রাস্তার বেশ সরু হওয়ায় প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থাকতে হয়। মহাসড়কের অসহ্যনীয় ভোগান্তি এড়াতে মানুষ ট্রেনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে, ফলে নরপিশাচরাও কোমর বেঁধে নেমেছে টিকেট সিন্ডিকেটে। সিলেটবাসীর এই ভোগান্তির শেষ কোথায়, সেটা প্রেডিক্ট করা প্রায় অসম্ভব।
সিলেট রুটে বর্তমানে সব ট্রেন এয়ারব্রেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে চলাচল করছে। তবে কুলাউড়া স্টেশনে লোকোশেডে রাখা ২৩ সিরিজের ইমারজেন্সি লোকোমোটিভ কার্যকরভাবে ব্যবহার হয় না। প্রায়শই আখাউড়া বা লাকসাম থেকে লোকোমোটিভ এনে উদ্ধার করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সমস্যাগুলো আরও প্রমাণ করে যে, রেলওয়ে ব্যবস্থাপনায় চরম উদাসীনতার দরুন ইচ্ছাকৃতভাবেই সিলেটবাসীকে পীড়িত করা হচ্ছে।
গত ৩১ আগস্ট সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। সে সময় সাইফুল ইসলাম (৩০) নামে একব্যক্তিকে টিকেট কালোবাজারির দায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো.পারভেজ।
এ ব্যাপারে সিলেট রেলওয়ের স্টেশনের ম্যানেজার নুরুল ইসলাম বলেন, ট্রেন টিকেট অনলাইন থেকে নিয়ে যাত্রীর ভ্রমণ করছেন। আগে স্টেশনে কালোবাজারি থাকলেও বর্তমানে নেই বলে জানান।

No comments:
Post a Comment