সোমবার দুপুর বারোটাতেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। উত্তর থেকে দক্ষিণ, মধ্য থেকে পূর্ব কলকাতা এবং শহরতলি সব জায়গায় পানি জমে আছে।
হযবরল অবস্থার মধ্যে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সব পরীক্ষা বাতিল করেছে।
নেতাজিনগর থেকে ইন্দ্রনীল রায় জানান, তার বাড়ির সামনে এক ফলওয়ালা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন। ফল ব্যবসায়ী প্রশান্ত কুণ্ডু তার দোকানে এসেছিলেন। সাইকেল রাস্তায় বিদ্যুতের খুঁটিতে রাখতে যান এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে একটি কুকুর সেই সাইকেলে চড়তে যায়। কুকুরটিও মারা গেছে।
মোমিনপুর থেকেও একজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন। তার নাম জিতেন্দ্র সিং। গড়ফা, কালিকাপুরেও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মনুষ মারা গেছেন। হরিদেবপুর, অভিষিক্তা মোড়সহ বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মানুষ মারা গেছেন।
বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী সামাজিক মাধ্যমে জানান, মন খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু এই দুর্দশার জন্য দায় কার। কলকাতা ও বিধাননগরের মেয়রদের অদক্ষতা ও উদাসীনতার ফল মানুষকে ভোগ করতে হয়।
এদিকে, প্রবল বৃষ্টিতে অনেক পূজামণ্ডপেই পানি থই থই অবস্থা। অনেকগুলো মণ্ডপের ক্ষতি হয়েছে। মাঠে পানি জমে গেছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আরো বৃষ্টি হবে। পূজার দিনগুলোতেও বৃষ্টি হতে পারে।

No comments:
Post a Comment