তিনি আবেগপ্রবণ কণ্ঠে বলেন, আমার আফসোস, যারা ২০২৪ সালে শহীদ হয়েছেন, আমি তাদের সঙ্গে শহীদ হতে পারিনি। আপনাদের কাছে দোয়া চাই- আগামী দিনের ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে আল্লাহ যেন আমাকে শহীদের মর্যাদা দেন।
শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত দলটির জাতীয় সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বক্তব্যের মাঝপথে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মঞ্চে পড়ে যান। পরে বসে থেকেই বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, আল্লাহ যত সময় হায়াত দিয়েছেন, ততক্ষণ লড়াই অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। মুক্তি অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই সংগ্রাম চলবে।
দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের কথা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা একটা লড়াই করেছি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে। আরেকটা লড়াই হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। আমরা দুর্নীতি করব না, সহ্যও করব না। জামায়াত থেকে কেউ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে কোনো এমপি-মন্ত্রী সরকারি প্লট গ্রহণ করবে না, করমুক্ত গাড়িতে চড়বে না, নিজের হাতে টাকা চালাচালি করবে না।
তিনি আরও বলেন, কোনো এমপি-মন্ত্রী যদি নির্দিষ্ট কাজের জন্য বরাদ্দ পায়, সেই কাজ শেষ হলে দেশের ১৮ কোটি মানুষের কাছে তার প্রতিবেদন তুলে ধরতে বাধ্য থাকবে।
জামায়াত আমির বলেন, আমি বলতে চাই, বাংলাদেশর কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির মুক্তির জন্য আমার লড়াই নয়। রাস্তার একজন পরিচ্ছন্ন কর্মী, চা বাগানের একজন শ্রমিক, রক্ত পানি করা ঘাম ঝরানো রিকশা চালক ভাই, মাঠে ময়দানে বাংলাদেশের মানুষের মুখে যারা এক মুঠো ভাত তুলে দিতে চায় আমার সেই কৃষক বন্ধুটি আমি তাদের হয়ে আজকে কথা বলতে এসেছি। আমি কোনো অভিজাত শ্রেণির হয়ে কথা বলতে আসিনি।
বক্তব্যে আবেগপ্রবণ কণ্ঠে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমার আফসোস, যারা ২০২৪ সালে শহীদ হয়েছেন, আমি তাদের সঙ্গে শহীদ হতে পারিনি। আপনাদের কাছে দোয়া চাই- আগামী দিনের ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে আল্লাহ যেন আমাকে শহীদের মর্যাদা দেন।

No comments:
Post a Comment