যুক্তরাজ্যে বসবাসরত তার স্ত্রী-সন্তানদের ব্রিটিশ পাসেপোর্ট রয়েছে। বর্তমানে তার সুচিকিৎিসা ও মানসিক শান্তির জন্য তাকে যুক্তরাজ্য পাঠানো জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে তিনি ব্রিটিশ সরকার, ঢাকাস্থ যুক্তরাজ্য দূতাবাস ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তার তিন ছেলে ও তিন মেয়েই যুক্তরাজ্যের নাগরিক। তার পিতা-মাতাও সেদেশের নাগরিক ছিলেন। তবে, তিনি ও তার স্ত্রী যুক্তরাজ্যের নাগরিক না হলেও সেখানে ছেলে-মেয়েদের দেখতে গিয়ে ছিলেন। তার তৃতীয় পুত্র আইন উদ্দিন মানসিক রোগে ভুগছে। এ জন্য ২০২৩ সালের ৩ জুলাই যুক্তরাজ্য থেকে দেশে চলে আসে।
দেশে এসে কিছুদিন মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও বর্তমানে সে তার স্ত্রী সন্তানদের চিন্তায় আবারও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ইতিপূর্বে তাকে নগরীর আখালিয়াস্থ শাহ জালাল মানসিক পুনর্বাসন কেন্দ্র ও উপশহরস্থ প্রতিশ্রুতি মাদকাসক্তি পুনর্বাসন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করিয়েছেন। বর্তমানে স্ত্রী সন্তানদের চিন্তায় খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। এমনকি ওষুধ পর্যন্ত সেবন করছে না।
অস্বাভাবিক আচরণ করছে এবং প্রায়ই লোকজনের ওপর চড়াও হচ্ছে। ঘরের আসবাবপত্র, রান্না ঘরের গ্যাসের চুলা ভাঙচুরসহ পাগলামি আচরণ করছে। সংবাদ সম্মেলনে তিতা শাহ জানান, তিনি ও তার স্ত্রী অসুস্থ মানসিক রোগী এই সন্তানকে নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তার ছেলের অবস্থা বিবেচনায় যত দ্রুত সম্ভব যুক্তরাজ্যে ফেরার সুযোগ করে দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আকুল আবেদন জানান।

No comments:
Post a Comment