প্রমাণ হতে যাচ্ছে ক্রিকেটার নাসির-তামিমার বিয়ে অবৈধ! - সময় আমাদের (somoy amader)

শিরোনাম


Wednesday, 16 April 2025

প্রমাণ হতে যাচ্ছে ক্রিকেটার নাসির-তামিমার বিয়ে অবৈধ!


সময় ডেস্ক :
স্বামীকে তালাক না দিয়ে বিয়ে করার অভিযোগে করা মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তাঁর স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করে ২৮ এপ্রিল নাসির ও তামিমার আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য করেছেন।


আজ আদালতে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শেখ মো. মিজানুর রহমানকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এরপর জেরা শেষ হলে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন বিচারক।


এ নিয়ে মামলায় মোট ১০ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ দিন সাক্ষ্য গ্রহণ চলাকালে আসামি নাসির ও তামিমা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।


বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত জাহান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।


২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। একই আদেশে তামিমার মা সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।


২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার প্রথম স্বামী মো. রাকিব হাসান বাদী হয়ে এ মামলা করেন। ওই দিনই আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। রাকিব মামলার অভিযোগে বলেন, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাঁদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তামিমা পেশায় একজন কেবিন ক্রু। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্রপত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন।


মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকা অবস্থায় তামিমা নাসিরকে বিয়ে করেছেন, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। নাসির তামিমাকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। তামিমা ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তাঁর আট বছর বয়সী শিশুকন্যা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। আসামিদের এ ধরনের কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে, যা তাঁর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।


পরে পিবিআই তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করলে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নেন।


No comments:

Post a Comment

Pages