তথ্যমতে, গত কয়েকদিন আগে শাকিল ইসলামকে অপহরণ করে সোহান। শিশুটির পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। তবে অর্থ না পাওয়ায় রাগান্বিত হয়ে সোহান শিশুটিকে নির্মমভাবে হত্যা করে নিজ বাড়ির পাশের একটি গর্তে মাটি চাপা দিয়ে লুকিয়ে রাখে। গতকাল রাতে একটি ফোন কলের সূত্র ধরে পুলিশ সোহানকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার স্বীকারোক্তি দিলে আজ সকালে উক্ত স্থান থেকে মাটি খুঁড়ে শাকিলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শিশুটির পিতা শফিকুল ইসলাম জানান, “সোহান আমাদের পাশের বাড়ির ছেলে। সে আগে থেকেই বখাটে হিসেবে এলাকায় পরিচিত। আমার নিষ্পাপ শিশুটাকে কেন মেরেছে?”
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তারা দাবি করেছেন, অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
পুলিশ সুপার (লালমনিরহাট) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, “গ্রেফতারকৃত সোহানের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। অপরাধের ভয়াবহতা বিবেচনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” শিশুটির মরদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য ময়নাতদন্ত কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।
এই ঘটনায় জেলাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো শিশু সুরক্ষায় কঠোর নজরদারি ও আইনের কঠোর প্রয়োগের দাবি জানিয়েছে।

No comments:
Post a Comment