সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিকদের ৭ উইকেটে হারিয়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। প্রিয় দল সিলেট স্ট্রাইকার্সের ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়াম ভর্তি সমর্থকরা শেষ পর্যন্ত নিরাশ হয়ে ফিরতে হয় নীড়ে। রিশাদ হোসেন, জাহানাদাদ খানদের বোলিংয়ে সিলেটকে স্রেফ ১২৫ রানে গুটিয়ে তারা ম্যাচ জিতে নিয়েছে ১০.৩ ওভারেই।
ব্যাট হাতে ঝড় তুলে ৩১ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৯ রান করে জয় সঙ্গে নিয়ে ফেরেন কাইল মেয়ার্স। ২৭ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৪৮ রান করেন তাওহিদ হৃদয়।
তবে ১৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের নায়ক জাহানাদাদ। ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ ১৫ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন রিশাদও।
স্থানীয় দল হিসেবে সিলেটের এটি ছিল দ্বিতীয় ম্যাচ। প্রথম দিনের তুলনায় এদিন গ্যালারী ছিল দর্শকে ঠাসা। তাদের শুরুটাও ছিল আশা জাগানিয়া। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সমর্থকদের হতাশাই উপহার দিল দলটি। ৮ ওভারে ২ উইকেটে ৭৬ রান থেকে ১০ বল বাকি থাকতেই ১২৫ রানে গুটিয়ে যায় সিলেট।
২৯ বলে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন অধিনায়ক আরিফুল হক। ১৩ বলে ২৮ রান করেন জর্জ মুনসি। রাকিম কর্নওয়াল (১২ বলে ১৮) এবং জাকির হাসানও (২৬ বলে ২৫) ভালো শুরু টেনে নিতে পারেননি।
লক্ষ্য তাড়ায় তামিম ইকবাল ও নাজমুল হোসেন শান্ত- দুজনেই আজ ব্যর্থ। আগের ম্যাচে কিপার খেলানোর কারণে বাদ পড়া শান্ত এবার ফেরেন কিপার-ব্যাটার হিসেবে। ইনিংসের প্রথম বলেই ইনফর্ম তামিমকে বোল্ড করে দেন কর্নওয়াল। পরের ওভারে শান্তর স্টাস্পও ছিটকে দেন তানজিম হাসান সাকিব। এরপর ১১৬ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের খুব কাছে নিয়ে আউট হন হৃদয়।
চার ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দুইয়েই আছে বরিশাল। তিন ম্যাচে শতভাগ হারে পয়েন্ট তালিকার তলানীতে সিলেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
সিলেট স্ট্রাইকার্স: ১৮.২ ওভারে ১২৫ (রনি ০, কর্নওয়াল ১৮, জাকির ২৫, মানজি ১৮, জোন্স ০, জাকের ১, আরিফুল ৩৬, তানজিম ১, রুয়েল ১, টপলি ৫*, আল আমিন ০; মেয়ার্স ২-১-৬-১, আফ্রিদি ৪-০-৪০-১, তানভির ১-০-৮-০, ফাহিম ৩.২-০-২৩-২, মাহমুদউল্লাহ ১-০-১০-০, জাহান্দাদ ৩-০-১৮-৩, রিশাদ ৪-১-১৫-৩)।
ফরচুন বরিশাল : ১০.৩ ওভারে ১২৬/৩ (তামিম ০, শান্ত ৪, মেয়ার্স ৫৯*, হৃদয় ৪৮, জাহানদাদ ৪*, মুশফিক ৩৪*; কর্নওয়াল ২-০-১৬-১, তানজিম ৩.৩-০-৩৭-২, টপলি ২-০-২৫-০, আল আমিন ২-০-২৫-০, রুয়েল ১-০-১৮-০)।
ফল: ফরচুন বরিশাল ৭ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: জাহানদাদ খান।

No comments:
Post a Comment