গত ২ আগস্ট (শুক্রবার) বিকেল সাড়ে ৪টায় সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেট সবজি বাজার সম্মুখে, ৪ আগস্ট (রোববার) বিকেল পৌনে ৩টায় দক্ষিণ সুরমার বঙ্গবীর রোডে ও একই দিন সাড়ে ৬ টায় মেন্দিবাগ গ্যাস অফিসের সামনে বুরহান উদ্দিন সড়কে ছাত্র-জনতার ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলাকালে পুলিশের ছুঁড়া কাঁদানে গ্যাস, স্প্লিন্টার ও জনতার ছুঁড়া ইটপাটকেলের আগাতে আহত হন জাবেদ এমরান। তার পায়ে, কাঁধে ছররা গুলি লাগে। কাঁদানে গ্যাসের কারণে চোখের গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়। সে সময় তার সাথে থাকা সহকর্মী সিলেটের ডাক এর ফটো সাংবাদিক জাবেদ আহমদের সহায়তায় তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পরবর্তীতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জালালাবাদ রাগেব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নেন। বর্তমানে তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের আবাসিক সার্জন ডাঃ উম্মে হানি জেরিন ও জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডাঃ আশরাফ আহমদ এর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিজস্ব সংবাদদাতা : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পেশাগত দায়িত্বপালনকালে অন্যান্যদের সাথে আহত হন দৈনিক সিলেট বাণী'র স্টাফ রিপোর্টার শেখ জাবেদ আহমদ এমরান (জাবেদ এমরান)।
দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানের সফলতার পেছনে গণমাধ্যম কর্মীদেরও অবদান রয়েছে। দেশবাসীর সামনে সঠিক তথ্য তোলে ধরতে গিয়ে মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকদের অনেক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। সাংবাদিকরা উত্তাল সময়ে মাঠে ছিলো বলে অনেক কিছু সংবাদমাধ্যমের কল্যাণে জনসাধারণ জেনেছেন, যোগ করেন জাবেদ এমরান। তিনি আরো বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে অধিকাংশ সময় আমরা দুই জাবেদ একসাথে ছিলাম। আমার সহকর্মী জাবেদও গুরুতর আহত হয়। প্রতিষ্ঠান ও পরিবারের নিষেধ ছিলো গোলাগুলির সময় সেখানে অবস্থান না করার। সে জন্য আহতের বিষয়টি গোপন রাখলেও শেষ পর্যন্ত তা গোপন থাকেনি বলে জানান।


No comments:
Post a Comment