সময় ডেস্ক : দেশে শাটডাউন ঘোষণার আশঙ্কায় হেঁটে বা বিকল্প উপায়ে দল বেঁধে রাজধানী ঢাকা ছেড়ে গ্রামের দিকে ছুটছে মানুষ।
শুক্রবার (২৫ জুন) সকাল থেকে নৌরুটের ফেরিগুলোতে ঢাকা ও দক্ষিণবঙ্গগামী উভয়মুখী প্রচুর যাত্রীকে পার হতে দেখা যায়। একসঙ্গে পারাপার হচ্ছে পণ্যবাহী ও জরুরি যানবাহন।
রাজধানীর প্রবেশমুখ ও বাহিরের অন্যতম সড়ক গাবতলী এলাকা, ঢাকা-মাওয়া রোড, ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় ছিলেন অসংখ্য মানুষ। সুযোগ পেলেই বাড়তি টাকায় গন্তব্যে যাচ্ছেন তারা।
ঢাকা ছাড়ার উদ্দেশ্যে শুক্রবার সকাল থেকে ওইসব স্থানে মানুষের ঢল নামে। বাস বন্ধ থাকায় কয়েক ধাপে কয়েকগুণ ভাড়া বেশি দিয়ে গন্তব্যে ছুটছেন মানুষ।
এদিকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনো গাড়িকেই ঢাকায় ঢুকতে বা বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। তবুও ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না মানুষের ঢল।
রাকিব হাসান নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, শাটডাউন দিলে ঢাকায় কোনো কিছুই করতে পারব না। শাটডাউনের খবর পেয়ে বাড়িতে ছুটছি। ব্যবসা বন্ধ থাকলে ঢাকায় থেকে কি করব? ঢাকায় থাকলে খরচ তো হবেই।
ওদুদ মিয়া নামের এক ভ্যানচালক বলেন, নৌযান, বাসসহ অন্যান্য গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। কিন্তু এ পরিস্থিতিতে যানবাহন না পেয়ে অনেকেই কাভার্ডভ্যান, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন বিকল্প বাহনে বাড়ি যাচ্ছেন। আমিও সেই খবর পেয়ে এসেছি। পরিস্থিতি অনুযায়ী কয়েকগুণ ভাড়া বেশি দিয়ে বাড়ি যেতে হবে।
নির্মাণ শ্রমিক জুনেদ আহমদ বলেন, ঢাকায় আসা ট্রাক, কার্ভার্ডভ্যান, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার করে মানুষ বাড়ি চলে যাচ্ছে। আমিও যেকোনো একটি উপায়ে বাড়ি ফিরব।
উল্লেখ্য, সারাদেশে ১৪ দিনের শাটডাউনের সুপারিশ করার পর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন তা বাস্তবায়নের ব্যাপারে যেকোনো বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ইঙ্গিত করেছেন।

No comments:
Post a Comment