সিলেটে ট্রিপল মার্ডার : ঘাতর স্বামী গ্রেফতার - সময় আমাদের (somoy amader)

শিরোনাম


Saturday, 19 June 2021

সিলেটে ট্রিপল মার্ডার : ঘাতর স্বামী গ্রেফতার


সময় ডেস্ক :
সিলেটে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে কুপিয়ে এবং গলাকেটে হত্যার এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী হিফজুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


শনিবার (১৯ জুন) দুপুরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।


বিষয়টি প্রেস ব্রিফিং করে সিলেটের পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন আহমদ বলেন, চিকিৎসাধীন হিফজুর রহমান আগের চাইতে সুস্থ আছেন। রোববার তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে এবং ওই দিনই তাকে আদালতে তোলার কথা রয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে পুলিশ হিফজুরকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানাবে। 


সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের বিন্নাকান্দি দক্ষিণপাড়া গ্রামে ঘরের ভেতর তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। 


নিহতরা হলেন- দিনমজুর হিফজুরের স্ত্রী আলিমা বেগম (৩০) ও তাদের দুই সন্তান মিজান (১০) এবং তানিশা (৩)। নিহতদের লাশ ময়নাতদেন্তর জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সেদিন গুরুতর আহত অবস্থায় হিফজুর রহমানকে উদ্ধার করে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকালে অনেক বেলা পর্যন্ত হিফজুরের ঘরের কেউ ঘুম থেকে উঠছিলেন না দেখে প্রতিবেশীরা হিফজুরের ঘরের সামনে যান। এসময় ভেতর থেকে কান্নার শব্দ শুনে দরজায় ধাক্কা দেন তারা। এসময় দরজার সিটকিনি খোলা দেখতে পান তারা। ভেতরে প্রবেশ করে তারা খাটের মধ্যে তিন জনের জবাই করা মরদেহ ও হিফজুরকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে গোয়াইনঘাট থানায় খবর দিলে একদল পুলিশ গিয়ে লাশ তিনটি উদ্ধার করে ও হিফজুরকে হাসপাতালে পাঠায়। হিফজুরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে দায়ের কোপ রয়েছে।


পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন ওইদিন সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ দুটি বিষয়কে সামনে রেখে বড় এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। হিফজুরের সঙ্গে তার মামার জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এর জের থেকে হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। আবার স্ত্রীর সঙ্গেও হিফজুরের বিরোধ রয়েছে। সেটা শ্যালিকাকে নিয়ে। তাই হিফজুরকেও সন্দেহের বাইরে রাখা যাচ্ছে না।


সেই সন্দেহের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত শেষে হিফজুরকেই গ্রেফতার করল পুলিশ। এর আগে বুধবার মধ্যরাতে নিহত আলিমা বেগমের বাবা আয়ুব আলী বাদি হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।



No comments:

Post a Comment

Pages