এ হত্যার সঙ্গে গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের এক নেতা জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে রনি তার ফেসবুক আইডিতে নারীঘটিত বিষয়ে ওই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে কয়েকটি পোস্ট করেন। এরই জের ধরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে বলে স্থানীয়া ধারণা করছেন।
তবে এ বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্লা।
তিনি ভোর সাড়ে ৫টার দিকে জানান, জড়িতদের ধরতে আমরা অভিযানে আছি।
এদিকে, ছুরিকাঘাতের পর রনির স্বজনরা তার রক্তাক্ত দেহ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তারা জরুরি বিভাগের গেট তালাবদ্ধ দেখতে পান।
আধা ঘণ্টারও বেশি সময় ডাকাডাকির পরও কেউ না খুললে ক্ষুব্ধ স্বজনরা গেটের তালা ভাঙতে চেষ্টা করেন। পরে একজন গেট খুলে দিলে রনির দেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান স্বজনরা। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎক রনিকে মৃত ঘোষণা করেন।

No comments:
Post a Comment