সময় ডেস্ক : বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেছেন, পেশাদার সাংবাদিকদের আর্থিক সুরক্ষায় বর্তমান সরকার সাধ্যানুযায়ী সবকিছু করবে। শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সাংবাদিক সংগঠনের নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটকে প্রভাবিত করতে এই ট্রাস্টের রাষ্ট্রীয় অনুদান ব্যবহার করা হয়েছিল। এ ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতমূলক আচরণ থেকে আমরা বিরত রয়েছি।
শনিবার বরিশাল সার্কিট হাউজের সম্মেলনকক্ষে ‘সাংবাদিকদের আর্থিক সুরক্ষা ও কল্যাণে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভা শেষে ১৪ সংবাদকর্মীকে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি বলেন, দেশের অসচ্ছল ও পেশাদার সাংবাদিকদের ট্রাস্টের সহায়তার আওতায় নিয়ে আসা হবে। ইতিপূর্বে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তারা অনিয়ম করেছেন। তখন শুধু তাদের মতাদর্শের হলেই অনুদান দেওয়া হতো। ভিন্ন মতের সাংবাদিক হলেই অনুদান আটকে দেওয়া হতো। কিন্তু এখন থেকে আর দলীয় বিবেচনায় নয়, শুধু আবেদনপত্রের যোগ্যতা বিবেচনায় সহায়তা দেওয়া হবে। প্রবীণ সাংবাদিকদের মাসিক ভাতার আওতায় আনাসহ সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরো বলেন, অসচ্ছল সাংবাদিকদের মেধাবী সন্তানদের বৃত্তির আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ট্রাস্টে শত শত আবেদনপত্র জমা পড়েছে। সেগুলো বাছাই করে আগামী জানুয়ারির মধ্যেই সাংবাদিক সন্তানদের বৃত্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত এ বৃত্তি প্রদান করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বরিশাল জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ওবায়দুল্লাহ, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য মীর মুশফিক আহসান, বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আজাদ আলাউদ্দিন, সাংবাদিক হুমাউন কবীর ও নিকুঞ্জ বালা পলাশ, বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান হীরা প্রমুখ।

No comments:
Post a Comment