সময় ডেস্ক : পা পিছলে ড্রেনে পড়ে বৃষ্টির পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার তীব্র স্রোতে নিখোঁজ হওয়ার ছয়দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও খোঁজ মেলেনি সবজি ব্যবসায়ী মো. সালেহ আহম্মেদের (৫৫)। তবে লাশ না পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার বিপ্লব কুমার নাথ বলেন, আজকে ৬ষ্ঠ দিনের মত আমাদের উদ্ধার কাজ পরিচালনা করা হয়েছে। আজ (সোমবার) কালুরঘাট, চান্দগাঁও ও তার আশেপাশের এলাকায় নালা-খালে অনুসন্ধান চালানো হয়েছে।
ছয় সদস্যের পৃথক টিমে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বিভক্ত হয়ে কাজ করছে। চান্দগাঁও খালে প্রচুর ফেনা ও ময়লা। ধারনা করা হচ্ছে সালেহ আহমেদের মরদেহ কোন ময়লা আবর্জনার সাথে চাপা পড়ে আছে। না হয় এতোদিনে তার মরদেহ পানিতে ভেসে উঠতো। তার লাশ না পাওয়া পর্যন্ত আমরা উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাবো। উদ্ধার কাজ বন্ধ হবে না।
নিখোঁজ ব্যক্তির ছেলে সাদেকুল্লাহ মহিম জানান, বাবাকে আর জীবিত ফেরত পাবো না তবে বাবার লাশটা চাই আমরা। যাতে কবর দিতে পারি। আর কিছু চাই না।
গত বুধবার সকাল ১১টার দিকে চট্রগ্রামের পাঁচলাইশ থানাধীন মুরাদপুর পুলিশ বক্স এলাকায় পা পিছলে নালায় পড়ে নিখোঁজ হন সালেহ আহম্মেদ নামের এক সবজি ব্যবসায়ী। এখনও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এর আগে ৩০ জুন চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহর এলাকার চশমা খালে সিএনজিচালিত অটোরিকশা উল্টে দুইজনের মৃত্যু হয়েছিল। দুইটি ঘটনার দিনই চট্টগ্রামে বৃষ্টি হয়ে জলাবদ্ধতায় খাল-নালা ছিল পানিতে একাকার ছিলো।

No comments:
Post a Comment